শিক্ষক-ছাত্র
পরীক্ষার্থীদের ফেসবুক স্ট্যাটাস সমগ্র
ডাক্তারের ছেলে: পরীক্ষার কথা শুনলেই কেমন জানি জ্বর জ্বর লাগে, মাথা ব্যথা করে, গা ঝিমঝিম করে। কী যে করি!
মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে: আমি যে প্রশ্নগুলা পারি না, সেগুলা পরীক্ষাতে আইব না, এই কথা কইয়া মনরে সান্ত্বনা দেই!
মাস্তান: যে হারামজাদা পরীক্ষা আবিষ্কার করছে সে মইরা গিয়া বাইচ্চা গেছে। কারণ, ও বাইচ্চা থাকলে আমি ওরে মাইরা ফালাইতাম।
বিশ্বপ্রেমিক: একটা পরীক্ষা দেওয়ার কষ্ট, ১০০ ছ্যাঁকা খাওয়ার কষ্টের চেয়ে বেশি।
কবি: রবীন্দ্র, নজরুল ইন্টার পরীক্ষা দিয়েছিল কি কোনো কালে? ভাবিতে ভাবিতে চিন্তার রেখা দেখা দিল মোর ভালে।
নৈরাশ্যবাদী: ২০১২ সালে পৃথিবীটা ধ্বংস হয়ে গেলেই ভালো হতো। তাও তো এই কষ্ট থেকে মুক্তি পেতাম।
আশাবাদী: এবারের পরীক্ষার প্রশ্ন আশা করি সহজ হবে, আর পাস করতে না পারলেও কোনো সমস্যা নেই, কারণ, একবার না পারিলে দেখো শতবার।
তরুণ ভাষাতাত্ত্বিক
তরুণ ভাষাতাত্ত্বিকের জীবনের ঘটনা । একটি তৃতীয় শ্রেণীর সিনেমা হলে একটা অশালীন হিন্দি ছবি দেখতে গিয়েছিলেন তরুণ ভাষাতাত্ত্বিক! সঙ্গে ছিল এক লাস্যময়ী ছাত্রী ৷ ইণ্টারভ্যালের সময় সামনের সরির তরুণ দর্শক পিছন ফিরে ঐ দশ্য দেখে জিব কাটল, স্যার, আপনি এমন একটা হলে এমন একটা বাজে ছবি দেখতে এসেছেন, তাও আবার আমার বান্ধবীকে নিয়ে ? আমার সত্যি অবাক লাগছে ।
অধ্যাপক : ( ছাত্রের ভুল শুধরে দিয়ে ) না, না,–তুমি অবাক হওনি, স্তম্ভিত হয়েছ । অবাক হয়েছি আমরা দুজন ।
বরফ নাকি
ক্লাসে স্যার আসছিলেন না। ভীষণ হাউকাউ। তাই হাসান ডিপার্টমেন্টে গেল স্যারকে ডেকে আনতে। গিয়ে পেল জাহাঙ্গীর স্যারকে। বলল, ‘স্যার, প্লিজ, একটু ক্লাসে আসেন! আপনি এলে ক্লাসটা ঠান্ডা হবে।’ স্যার বললেন, ‘মানে কী? আমি বরফ নাকি?’
একেই সালোকসংশ্লেষণ বলে
পল্টু কোনো দিন পড়া পারে না। কিন্তু সেদিন হঠাৎ জীববিজ্ঞান ক্লাসে শিক্ষক পড়া ধরায় হাত তুলল সে।
স্যার: আরে বাহ্। পল্টু বল তো সালোকসংশ্লেষণ কাকে বলে?
পল্টু: (মাথা চুলকে) স্যার পড়ে এসেছি। কিন্তু মনে পড়ছে না।
স্যার: কতটা মনে আছে?
পল্টু: স্যার, শেষের দিকটা।
স্যার: ঠিক আছে। শেষের দিকটাই বল।
পল্টু: একেই সালোকসংশ্লেষণ বলে
বিদেশি নাম
ছাত্র: আমার বাবার নাম Laughing এবং মায়ের নাম Smiling.
শিক্ষক: তুমি নিশ্চয়ই Kidding?
ছাত্র: না। ওইটা আমার ভাইয়ের নাম। আমি Joking.
লেজ কোন দিকে
শিক্ষক: বল তো পল্টু, ঘোড়ার মাথা উত্তর দিকে থাকলে লেজ কোন দিকে?
পল্টু: দক্ষিণ দিকে।
শিক্ষক: হয়নি। নিচের দিকে।
কজন ভিজবে
শিক্ষক: মন্টু। ধরো, একটা ছাতার নিচে ১০ জন দাঁড়িয়ে আছে, কজন ভিজবে?
মন্টু: কেউই না।
শিক্ষক: কীভাবে?
মন্টু: স্যার, আপনি তো বলেননি, ‘ধরো, বৃষ্টি হচ্ছে।’

0 মন্তব্যসমূহ